যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

২০২৩ বই ছাপার ভুল সংশোধন করেই আমরা সেগুলো পৌঁছাচ্ছি : শিক্ষামন্ত্রী

২০২৩ বই ছাপার ভুল সংশোধন করেই আমরা সেগুলো পৌঁছাচ্ছি : শিক্ষামন্ত্রী

চাঁদপুরপ্রতিনিধি

বক্তব্য দিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‌‘বই ছাপার মধ্যে সমস্যা হলে সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত থাকে। ২০২৩ সালের জন্য যে বইগুলো তৈরি করা হচ্ছে সেগুলোতে কোনো ভুল হলে আমরা সেগুলো সংশোধন করেই পৌঁছাচ্ছি।’

বই ছাপার ক্ষেত্রে ভুল সংশোধন সম্পর্কে শুক্রবার সন্ধ্যায় চাঁদপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দীপু মনি আরো বলেন, আগামী বছর প্রাথমিকের প্রথম ও তৃতীয় শ্রেণি এবং মাধ্যমিকে ৬ষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হচ্ছে। এই বইগুলো নতুন বই। বইগুলো আমরা ২০২২ সালে পাইলটিং করেছি। আমরা শিক্ষায় রূপান্তর ঘটাচ্ছি অর্থাৎ আমরা কীভাবে পড়াচ্ছি, সেভাবে মূল্যায়ন হবে। সে কারণে ২০২৩ সালেও উল্লিখিত শ্রেণিতে বইগুলো পরীক্ষামূলক সংস্করণ হিসেবে যাবে। তাই সারা বছর আমরা শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আবারও প্রতিক্রিয়া নেব এবং ২০২৪ সালে যে বইগুলো যাবে সেখানে পরিমার্জন, সংশোধন, সংযোজন ও বিয়োজন যা দরকার তা করে নেব।
মন্ত্রী বলেন, গত ২০২১ সালের বইগুলোতে অনেক ভুল ছিল। আমরা সেগুলো অতিমারির সময় অনেক কাজ করে সংশোধন করেছি। যে কারণে ২০২২ সালে তেমন ভুল ছিল না। এ বছর আশা করছি তেমন ভুল হবে না। যদি হয়, তাহলে আমরা সেগুলো সঙ্গে সঙ্গে সংশোধন করার চেষ্টা করব।

দীপু মনি বলেন, আমরা নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে দেশব্যাপী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আবার যারা প্রশিক্ষক হিসেবে আছেন, তাদেরও প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আর এই প্রশিক্ষণ চলছে অনলাইনে। যারা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন তারা যখন নতুন বই পেয়ে পাঠদান করবেন প্রথম ৫দিন তাতে ভুল ত্রুটিসহ সমস্যাগুলো দেখবেন। স্কুল বন্ধ থাকার দুইদিন সেগুলো আবার শিখে নেবেন। এভাবে তারা এগিয়ে যাবেন। শিক্ষকরা কীভাবে ক্লাস নেবেন সে বিষয়ে আমরা একটি গাইডলাইন দিয়েছি। শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন হওয়ার কারণে শিক্ষকদের ভূমিকাতেও ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। এ কারণে তারা ৫ দিন ক্লাসের পর দুইদিন প্রশিক্ষণ পাবেন। অনেকের ধারণা ছিল অনলাইনে ভালো প্রশিক্ষণ হয় না, কিন্তু এখন সেই ধারণার পরিবর্তন হয়েছে। আমরা সরাসরিও প্রশিক্ষণ দেব, তবে বেশি দূরে যেতে হবে না। সর্বোচ্চ উপজেলা পর্যায়ে এসে প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

এ সময় চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বেপারী, চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি গিয়াস উদ্দিন মিলন, সহ-সভাপতি রহিম বাদশা, সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ ফেরদৌসসহ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com